প্রাথমিকের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা কি বাতিল হচ্ছে?
![]() |
প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ
প্রশ্নফাঁস ও ডিভাইসের মাধ্যমে জালিয়াতির অভিযোগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে পরীক্ষার্থীরা বিক্ষোভ-সমাবেশ করেছেন। একই সঙ্গে তারা ৫ দফা দাবি তুলে ধরেছেন এবং দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।
রোববার (১১ জানুয়ারি) মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ঘেরাও করে সেখানে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন আন্দোলনকারীরা।
আন্দোলনকারীদের দাবিসমূহ
সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করে দ্রুত নতুন করে পরীক্ষা নিতে হবে
সব চাকরির পরীক্ষা ঢাকায় নিতে হবে এবং প্রতিটি কেন্দ্রে ডিভাইস চেকার ও নেটওয়ার্ক জ্যামার রাখতে হবে
একটি স্বতন্ত্র কমিটি গঠন করে তার আওতায় সব পরীক্ষা নিতে হবে
একই দিনে একই সময়ে একাধিক পরীক্ষা নেওয়া যাবে না
যেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আগে প্রশ্নফাঁসের রেকর্ড আছে, তাদের প্রশ্ন প্রণয়নের দায়িত্ব দেওয়া যাবে না
প্রশ্নফাঁস প্রমাণিত হলে জড়িত সবাইকে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনতে হবে এবং প্রশ্ন প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ করতে হবে
আন্দোলনকারীরা এসব দাবিতে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামানের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন। আন্দোলনকারী পরীক্ষার্থী আবু তাহের জানান, মহাপরিচালক স্মারকলিপি গ্রহণ করে সুষ্ঠু তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন।
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের একটি সূত্র জানায়, পরীক্ষায় অনিয়ম ও প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে। বিষয়টি তদন্তে দ্রুত একটি কমিটি গঠন করা হবে। তদন্তে প্রশ্নফাঁসের প্রমাণ মিললে পরীক্ষা বাতিল হতে পারে। ততদিন পর্যন্ত পরীক্ষার ফলাফল স্থগিত রাখা হতে পারে।
উল্লেখ্য, গত ৯ জানুয়ারি বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত দেশের ৬১ জেলায় (পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা বাদে) একযোগে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে পরীক্ষার্থী ছিলেন ১০ লাখ ৮০ হাজারের বেশি। পরীক্ষার কয়েক দিন আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশ্নফাঁসের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, আগে ছড়িয়ে পড়া প্রশ্নের কিছু অংশ হুবহু পরীক্ষায় এসেছে। আরো..
